
মোহনপুরে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে রাস্তা পাকাকরণের অভিযোগ সঠিক নয়
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় পৌনে ৭ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এসব উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে,একইসঙ্গে এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভুমিকা রাখবে।তানোর ও মোহনপুর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন সাধিত হবে, দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। কিন্ত্ত একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এসব উন্নযন প্রকল্পের কাজ নিয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মোহনপুরে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে রাস্তা পাকাকরণ ‘শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে,নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের ইট ও সুরকি। অনেক অংশে ইটের খোয়ার পরিবর্তে ইট-পাথরের গুঁড়া এবং ধূলিময় রাবিশ দিয়ে খানাখন্দ ভরাট করা হচ্ছে,যা সত্যি নয় ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
এদিকে মোহনপুর উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে বলেন, যেখানে সবেমাত্র কাজ শুরু হয়েছে,এখানো কাজের মেয়াদ শেষ হয়নি,এমনকি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল দেয়া হয়নি, এমতাবস্থায় উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ করা কতটা যৌক্তিক ? অন্যদিকে এসব অপপ্রচার নিয়ে সচেতন মহল ও নাগরিকগণের মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সুত্র জানায় ঠিকাদারী কার্যাদেশ না পেয়ে একটি মহল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন ও উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এসব মিথ্যা এবং মনগড়া তথ্য সরবরাহ করেছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, উন্নয়ন কাজে সিডিউল না মেনে তিন নম্বর ইটের খোয়া, ভরাট বালু, এঁটেল মাটি ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। সংবাদে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদারকে সহযোগিতা করছেন এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী রিপন আলী।
অথচ এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্য কারো কাছে নাই, ফলে এসব মনগড়া ও ভিত্তিহীন।স্থানীয়রা বলছে,উন্নয়ন কাজ বিলম্বিত ও বধাগ্রস্ত করতে কাজের শুরু থেকেই একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে নানা অপপ্রচার করছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, “তিন নম্বর ইটের খোয়া বা নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়। সিডিউল অনুযায়ী নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মামুন বলেন, যথাযথ নিয়মানুসারে ও অফিসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কাজ করা হচ্ছে।এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই।
কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা মোহনপুর উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী রিপন আলী বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে তার যোগসাজশের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন,সিডিউল মোতাবেক কাজ করানো হচ্ছে।#
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply