চুড়খাই সন্ত্রাসী কে এই সুমন, খুঁটির জোর কোথায়?
স্টাফ রিপোর্টার:
জুলাই২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এলাকায় সুমন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চাঁদা বাজি পুলিশ দিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে হয়রানি করা , চাঁদা না দিলে মারধর করা, পুলিশের ভয় দেখানো, টাকা না দিলে বাড়ি ঘরে হামলা করাই তার প্রধান কাজ।
সরে জমিনে তদন্ত করিয়া জানা যায় চুড়খাই বাজার ব্যবসায়ী মোফাজ্জল ,রফিকুল, সবুজ ,নাঈম ,সিদ্দিক মুন্সী ,আশরাফ আলী গং দের জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তারা জানায় সে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ জুয়াখোর মাদক ব্যবসায়ী ও তার বোনের জামাই বিডার খালেক। বিডার খালেককে চুরখাই বাজার থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৪ জোয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
সুমন এর আগে সে ছিল মোহিতুর রহমান শান্ত এমপির একজন আস্থাভাজন চাকর এখন সে কখনো জামাত শিবির আবার কখনো বিএনপির নেতা বনে যায়। এলাকা থেকে কয়েকজনকে পুলিশেও ধরিয়ে দেয়। তাদের মধ্যে শামসুল আলম আরেকজন চান মিয়া এখন তারা জেল হাজতে আছে।
পান ঘাগড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ ও নজরুল বলেন, মো:সুমন মিয়া ,পিতা মোহাম্মদ আলী বাবুল ওরফে বন্দুক বাবুল ,সাং -পনঘাগড়া,ডাকঘর -চুড়খাই বাজার,সদর,ময়মনসিংহ। এই সুমনের পিতা মোহাম্মদ আলী বাবুল মিয়া,শামীম এণ্টারপ্রাইজ এ খুলনা যাওয়ার উদ্যেশে গাড়ীতে উঠলে ২০শে জুন ২০১৮ সালে রাত ৯ টার সময় ঢাকার কাউন্টারটেরিজম তাকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করে ঢাকা নিয়ে যায় এবং ঢাকা মেট্রো বি:ট্রা: মা:নং ৫৩১|১৮,সুত্র: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থানার মামলা নং ২১(৬)২০১৮।
পরবর্তীতে ৩০শে জুন২০১৮ইং মোহাম্মদ আলী বাবুল মিয়া কে নিয়ে কাউন্টারটেরিজম ইউনিটের একটি দল মাইক্রোবাসে করে বাবুল কে তাহার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে এবং বাবুলের শিকার উক্তিতে বাবুলের রান্না ঘড় এবং তার বাড়ি মেয়ের জামাই খালেক সরকার পিতা মৃত আতাউর রহমান এর রান্না ঘড়ের মেঝে তে খনন করে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলাবারুদ উদ্দার করে । এ সময় উপস্থিত সাক্ষী গণ শহীদুল্লাহ খোকা, সিদ্দিকুর রহমান, আসাদুল সরকার। আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
© All rights reserved © 2025
Leave a Reply