1. admin@crimetalashteam.com : crimetalashteam : crimetalashteam
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকারত্ব দূর করা হবে বাবর।

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮ Time View

বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকারত্ব দূর করা হবে বাবর।
নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ এ এম শফি

বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে তরুণরা কারিগরি শিক্ষা সহ উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য বিএনপি সচেষ্ট রয়েছে। দেশের বেকার তরুণদের সম্পদে পরিণত করার জন্য বিএনপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যেসব তরুণরা চাকুরীর নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তাদেরকে সর্বাধিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে বেকার যুবকদের কারিগরি শিক্ষা প্রদান করে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক সহযোগিতা করে বেকারত্ব দূর করা হবে।

শনিবার সকালে উপজেলার বাশরী ঈদগাহ মাঠে নায়কপুর ইউনিয়ন বিএনপির গণ সংবর্ধনা ও নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মজলুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমান আমার উপর আস্থা রেখে মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী আসনে ধানের শীষের কান্ডারী হিসেবে আমাকে মনোনীত করেছেন। আমি জনাব তারেক রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞ। বিগত ১৭বছর আমার নির্বাচনী এলাকার নেতা কর্মী এবং জনসাধারণ আমাকে যে ভালোবাসার দিয়েছে সে ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন বিএনপি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্থতা জন্য সকলেই দোয়া করবেন।

বাবর আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ১৭বছর কারাগারে রেখেছে। এরচেয়েও বেশি জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফ্যাসিস্ট হাসিনার নির্যাতনে তিনি তার ছোট ছেলেকে হারিয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্বাসনে রেখেছে। আজ দেশের জনগণ ও ছাত্রজনতা তাকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মদন উপজেলা বিএনপি সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম আকন্দ, সহ সভাপতি আবু তাহের আজাদ, মদন পৌর বি এনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন ও মদন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দু প্রমূখ।

এদিন উপজেলা নায়েকপুর ও ফতেপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় জমিকে কেন্দ্র করে চাচিকে ছুরিকাঘাত  স্টাফ রিপোর্টার।। ঝিকরগাছা উপজেলার ১১নাম্বার বাঁকড়া ইউনিয়নের ১নাম্বার ওয়াড বাকড়া গ্রামে জমি জায়গা নিয়ে দুইদিন যাবত দ্বন্দ চলতে থাকায় বহিরাগত সন্ত্রাস দ্বারা চাচিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। উক্ত ঘটনা টি ঘটিয়েছে বাকড়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে হযরত আলী। সরে জমিনে তথ্য অনুসন্ধানে যেয়ে জানা যায়, গত ২৩শে নভেম্বর সকালে হযরত আলী তার নিজের গাছ থেকে জিবলির কচা কেটে তার জমিতে বেড়া দিয়েছেন। কিন্তু হযরতের মা সন্দেহ বশত হযরতের চাচা সন্তোশ কে গালিগালাজ করলে চাচা সন্তোশ প্রতি উত্তরে বলেন যে কচা আমি কাটিনি তোমার ছেলে কেটেছে। তবুও কথাকাটির মাঝে হাতা হয়ে এক পর্যায়ে গতকাল ২৪শে নভেম্বর সকালে আরোও একবার কথা কাটাটির মাঝে মারামারি হয়। পরে ভাইপো রাগ ভুলতে না পেরে চাচাকে শায়িস্তা করার জন্য ১৫/২০ জনের মত বহিরাগত সন্ত্রাস বাহিনী ভাড়া করে নিয়ে এসে চাচাকে সন্ত্রাসী বাহিনী বাড়ী যেয়ে ডেকে এক পর্যায়ে অনাধিকারে  বাড়ী র ভিতরে প্রবেশ করে চাচাকে শাশাতে থাকলে চাচার চিৎকারে তার পরিবারের লোকজন ছুটে আসলে চাচাকে ছুরিকাঘাত করতে গেলে চাচীর পিঠে লাগে বলে সাংবাদিককে বলা হয়। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে ভিকটিম আলমগীর হোসেন ওরফে সন্তোষ বলেন, আমি কচা না কটলেও আমাকে অকত্যভাষায় গালিগালাজ করে ও হযরতরা কয়মাপে মিলে এলোপাতারি ভাবে মারে। পরে দুপুরে সন্ত্রাস ভাড়া করে নিয়ে এসে আবার মারে ও এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী কে ছুরি মারলে চিৎকারে এলাবাসী এসে আমাদের কে উদ্ধার করে ও দুইজন সন্ত্রাসী কে আটকায়ে রাখে। শুনেছি সেই দুইজনকে পুলিশের নিকট দেওয়া হয়। আমি আমার স্ত্রী কে নিয়ে চিকিৎসার জন্য  ঝিকরগাছা হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে যশোরে রেফার্ড করলে তাকে নিয়ে যশোর হাসপাতালে যায় ও সেখানে ভর্তি করে বর্তমানে চিকিৎসা ধীন আছে। আরোও বলেন ওই দুইজন কে পুলিশ কি করেছে আমি জানিনা। মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে বলেন এখনো হয়নি তবে মামলা হবে। উক্ত ঘটনা হযরত আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুইদিন ধরে মারা হচ্ছে আমাদের সকলকে তারা মেরেছে, গতকাল আমারকে সহ আমার পরিবারের সকলকে মেরেছে। আমি গতকাল হাসপাতালে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেয় ও আমি থানায় গতকাল অভিযোগ ও দিয়েছি। আজ সকালে মারামারি হওয়ার পর আমি মামাদের নিকট ফোন করি। মামারা আসছিলো এখানে কেউ বাহিরের লোক না। সব আমার মামারা। মামারা আসার পর চাচাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তাদের উপর চড়াও হলে একপর্যায়ে পুনরায় মারামারি হয়। আর চাচিকে আমরা কেউ ছুরি মারিনি বেড়ার তারেকাটায় লেগেছে। পরে আমি ৯৯৯ নাইনে করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। জানতে চাইলে  প্রত্যক্ষদর্শী  এলাকার জনগন বলেন প্রায় ই গন্ডগোল হয় তবে বাহিরে থেকে গুন্ডা এনে ছুরি মারা ঠিক হয়নি। আরো ও জানাযায়  (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)  আমি চিৎকার শুনে ছুটে যায় দেখি মারামরি হচ্ছে ও সন্তোশের স্ত্রীর পিঠে অনেকখানি কেটে গেছে জানতে পারি যে ঝিকরগাছা থেকে ১৫/২০ জনের মত গুন্ডা এনে হযরত সন্তোষের পুরো পরিবার কে মারেছে। জাহিদুল ইসলাম নামের এক প্রতিবেশী ঠেকাতে গেলে তাকেও সন্ত্রাসী রা মেরেছে। ও জাহিদুলের বাম পায়ে গোড়ালির উপর কেটে গেছে বলেও সাংবাদিক কে জানান। আরো বলেন তারা ঋষি পাড়া প্রাইমারি স্কুলের ওখানে মাইক্রো রেখেছে ও ইজিবাইকে করে সন্তোষের বাড়ী ঘেরাও করে দুই দিক থেকে গতিরোধ করে ও তার বাড়ী ওয়াইফাই বিচ্ছিন্ন করা হয় যাতে সন্তোষ কোথাও যোগাযোগ করতে না পারে। আমরা দুইজন সন্ত্রাসী কে আটকাতে পারি বাকিগুলো পালিয়ে যায়। আটকানো বহিরাগত সন্ত্রাসী কে আমরা পুলিশের নিকট দিয়েছি। ওই ঘটনায় বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানতে চাইলে তদন্ত কেন্দ্রের এস আই সাইদুল ইসলাম বলেন আমরা ৯৯৯ কল পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে যেয়ে দেখি মারামরি হয়েছে ও জনগন দুইজন আটকায়ে রাখছিল, আমরা তাদেরকে ক্যাম্পে নিয়ে আসলে লিখিত কোন অভিযোগ না হওয়াতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের সুপারিশে আগামী শুক্রবার একত্রে বসে বিষয়টি সমাধান করবে বলে প্রতিশ্রুতিতে আমরা তাদেরকে ছেড়ে দেই। (প্রতীকি ছবি দিয়েন ভাই)

ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় জমিকে কেন্দ্র করে চাচিকে ছুরিকাঘাত  স্টাফ রিপোর্টার।। ঝিকরগাছা উপজেলার ১১নাম্বার বাঁকড়া ইউনিয়নের ১নাম্বার ওয়াড বাকড়া গ্রামে জমি জায়গা নিয়ে দুইদিন যাবত দ্বন্দ চলতে থাকায় বহিরাগত সন্ত্রাস দ্বারা চাচিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার বিরুদ্ধে। উক্ত ঘটনা টি ঘটিয়েছে বাকড়া গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে হযরত আলী। সরে জমিনে তথ্য অনুসন্ধানে যেয়ে জানা যায়, গত ২৩শে নভেম্বর সকালে হযরত আলী তার নিজের গাছ থেকে জিবলির কচা কেটে তার জমিতে বেড়া দিয়েছেন। কিন্তু হযরতের মা সন্দেহ বশত হযরতের চাচা সন্তোশ কে গালিগালাজ করলে চাচা সন্তোশ প্রতি উত্তরে বলেন যে কচা আমি কাটিনি তোমার ছেলে কেটেছে। তবুও কথাকাটির মাঝে হাতা হয়ে এক পর্যায়ে গতকাল ২৪শে নভেম্বর সকালে আরোও একবার কথা কাটাটির মাঝে মারামারি হয়। পরে ভাইপো রাগ ভুলতে না পেরে চাচাকে শায়িস্তা করার জন্য ১৫/২০ জনের মত বহিরাগত সন্ত্রাস বাহিনী ভাড়া করে নিয়ে এসে চাচাকে সন্ত্রাসী বাহিনী বাড়ী যেয়ে ডেকে এক পর্যায়ে অনাধিকারে  বাড়ী র ভিতরে প্রবেশ করে চাচাকে শাশাতে থাকলে চাচার চিৎকারে তার পরিবারের লোকজন ছুটে আসলে চাচাকে ছুরিকাঘাত করতে গেলে চাচীর পিঠে লাগে বলে সাংবাদিককে বলা হয়। উক্ত ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে ভিকটিম আলমগীর হোসেন ওরফে সন্তোষ বলেন, আমি কচা না কটলেও আমাকে অকত্যভাষায় গালিগালাজ করে ও হযরতরা কয়মাপে মিলে এলোপাতারি ভাবে মারে। পরে দুপুরে সন্ত্রাস ভাড়া করে নিয়ে এসে আবার মারে ও এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী কে ছুরি মারলে চিৎকারে এলাবাসী এসে আমাদের কে উদ্ধার করে ও দুইজন সন্ত্রাসী কে আটকায়ে রাখে। শুনেছি সেই দুইজনকে পুলিশের নিকট দেওয়া হয়। আমি আমার স্ত্রী কে নিয়ে চিকিৎসার জন্য  ঝিকরগাছা হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে যশোরে রেফার্ড করলে তাকে নিয়ে যশোর হাসপাতালে যায় ও সেখানে ভর্তি করে বর্তমানে চিকিৎসা ধীন আছে। আরোও বলেন ওই দুইজন কে পুলিশ কি করেছে আমি জানিনা। মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে বলেন এখনো হয়নি তবে মামলা হবে। উক্ত ঘটনা হযরত আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুইদিন ধরে মারা হচ্ছে আমাদের সকলকে তারা মেরেছে, গতকাল আমারকে সহ আমার পরিবারের সকলকে মেরেছে। আমি গতকাল হাসপাতালে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেয় ও আমি থানায় গতকাল অভিযোগ ও দিয়েছি। আজ সকালে মারামারি হওয়ার পর আমি মামাদের নিকট ফোন করি। মামারা আসছিলো এখানে কেউ বাহিরের লোক না। সব আমার মামারা। মামারা আসার পর চাচাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তাদের উপর চড়াও হলে একপর্যায়ে পুনরায় মারামারি হয়। আর চাচিকে আমরা কেউ ছুরি মারিনি বেড়ার তারেকাটায় লেগেছে। পরে আমি ৯৯৯ নাইনে করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। জানতে চাইলে  প্রত্যক্ষদর্শী  এলাকার জনগন বলেন প্রায় ই গন্ডগোল হয় তবে বাহিরে থেকে গুন্ডা এনে ছুরি মারা ঠিক হয়নি। আরো ও জানাযায়  (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)  আমি চিৎকার শুনে ছুটে যায় দেখি মারামরি হচ্ছে ও সন্তোশের স্ত্রীর পিঠে অনেকখানি কেটে গেছে জানতে পারি যে ঝিকরগাছা থেকে ১৫/২০ জনের মত গুন্ডা এনে হযরত সন্তোষের পুরো পরিবার কে মারেছে। জাহিদুল ইসলাম নামের এক প্রতিবেশী ঠেকাতে গেলে তাকেও সন্ত্রাসী রা মেরেছে। ও জাহিদুলের বাম পায়ে গোড়ালির উপর কেটে গেছে বলেও সাংবাদিক কে জানান। আরো বলেন তারা ঋষি পাড়া প্রাইমারি স্কুলের ওখানে মাইক্রো রেখেছে ও ইজিবাইকে করে সন্তোষের বাড়ী ঘেরাও করে দুই দিক থেকে গতিরোধ করে ও তার বাড়ী ওয়াইফাই বিচ্ছিন্ন করা হয় যাতে সন্তোষ কোথাও যোগাযোগ করতে না পারে। আমরা দুইজন সন্ত্রাসী কে আটকাতে পারি বাকিগুলো পালিয়ে যায়। আটকানো বহিরাগত সন্ত্রাসী কে আমরা পুলিশের নিকট দিয়েছি। ওই ঘটনায় বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানতে চাইলে তদন্ত কেন্দ্রের এস আই সাইদুল ইসলাম বলেন আমরা ৯৯৯ কল পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে যেয়ে দেখি মারামরি হয়েছে ও জনগন দুইজন আটকায়ে রাখছিল, আমরা তাদেরকে ক্যাম্পে নিয়ে আসলে লিখিত কোন অভিযোগ না হওয়াতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের সুপারিশে আগামী শুক্রবার একত্রে বসে বিষয়টি সমাধান করবে বলে প্রতিশ্রুতিতে আমরা তাদেরকে ছেড়ে দেই। (প্রতীকি ছবি দিয়েন ভাই)

© All rights reserved © 2025

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি