1. admin@crimetalashteam.com : crimetalashteam : crimetalashteam
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

কাফরুল থানায় নাসরিনের সাজানো ধর্ষণ মামলার ফাঁদ ভুক্তভোগীদের থেকে মোটা অংকের টাকা আদায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩১ Time View

কাফরুল থানায় নাসরিনের সাজানো ধর্ষণ মামলার ফাঁদ ভুক্তভোগীদের থেকে মোটা অংকের টাকা আদায়

স্টাফ রিপোর্টার

আনিসুর রহমান লিমন। বর্তমান সমাজে এমন কিছু ভুইফোড় মানবাধিকার সংগঠন বযেছে যারা মানুষকে হয়রানীসম মামলাবাজের ভূমিকায় অবচিন ময়েছে। যেই সব ভুঁইফোর সংগঠনগুলো সাধারন মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন প্রতাবনা কিংবা ধানসহ বিভিন্ন মামলা নিয়ে চলেছে এবং এটা নিয়ে চলছে তাদের চাঁদাবাজী বাণিজ্য। জানা গেছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর শেওরাপ্য্যময় একটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র সরে বলাকা বানায় ভিত্তিহীন অভিযোগে একটি মামলা দায়ের कासगং-৫, সেই মামলাটিতে বেশ কিছু মতম মনুবাদে জড়িয়ে এই ভিতিহীন মামলাটি দায়ের মেয়েটি মেয়েকে প্রায় ৩০ জনের অদ্রিত এখন করে বলে উল্লেখ করা হয়। এজাহারে তথ্য রয়েছে সম্পূর্ণ মিথ্যা। সেই মেয়ে নাসরিন আকতার। এদিকে ধথমাধ্যমকর্মীরা জানতে পারে তিনি ভূঁইফোর হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলম যাউন্ডেশন দিয়াসীন ধরে কাজ করে আসছেন এবং তাকেসহ একাধিক ডিএমপির বিভিন্ন থানায় কোনাররে সাতেন নামবে হয়রানী করে মোটা অংকের চাঁদা দাবীর মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। ওই সংগঠনের সেলিম ওরফে আলমগীর সেলিম ও ওই নাসরিন আক্তার ওই চক্রের একজন মালা বলে জান থেকে তবে উক্ত হোটেলটিতে গিয়েছিলেন মূলত ওইদিন দেহ ব্যবসা করতে এবং তার আলামতে প্রমাদও পাওয়া যায়। এ বিষয়ে ধর্ষিতাকে যোন করলে তিনি জানান, আমি গরিব মানুষ, তাই পেটের দায়ে বাংধানীর বিভিন্ন ঘাবাসিক হোটেলে কম করে খাই। তবে আমি জানতাম না নিরীহ মানুষগুলো জড়িয়ে পুরবে। আর আমাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশনের লাবার মোস্তফা সেলিম একাজটি করিয়েছেন। বদিকে ভিত্তিহীন মামলায় নিরীহ পুলিশকে ব্যবহার করে সংগঠনটি বিভিন্ন রকমের পায়তারা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিপূর্বে যাত্রাবাড়ি থানায় সেলিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি যাত্রাবাডি এলাকাতেও সাধারণ মানুষকে হয়রানী হাসছিলেন এবং একাধিক গণমাধ্যমে মামলাবাজ সেলিমের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় এবং তিনি কয়েকবার কারাভোগও করেন। হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ বয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতারনা, ধর্ষন, চাঁদাবাজসহ বিভিন্ন অপকর্মের। এ বিষয়ে ভুঁইফোর সংগঠনটির কর্ণধার মোস্তফা সেলিমকে ফোন করলে তাকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তিনি একাধিক বিয়ে কবে এসব তরুনীদের দিয়ে বহু টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এই মেয়েকে দিয়ে এর আগেও এ ধরনের কাজ করিয়েছেন সংগঠনটির লোকজন। সম্প্রতি এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমারা আসলে ঘটনাটি শুনেছি এবং যিনি ধর্ষিত হয়েছেন তিনি একজন দেহ ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারী। তাকে এর যাগে আমার কেউ দেখেনি। তবে শুনেছি তিনি রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ইতিপূর্বে সমায়ের পাপচার কাজে লিপ্ত এবং যাদের সাথে তার বনিবনা হয়না তাদেরকে আসহায় পেয়ে এভাবে ফাঁসিয়ে দেন। তব এসব কাজে বহু নিরীহ মানুষ যাঁদে পড়েছেন। এ বিষয়ে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি এবং ধর্ষিতা যদি দেহব্যবসায়ী ময়ে থাকে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওগা হবে। যার বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে হালানী করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তভাড়া আপনাদের অভিযে প্রমানিত মলে বা প্রমানাদি থাকলে সেটিও ক্ষতিয়ে দেখা হবে। সেলিম ন্যাসলিন চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় ধর্ষন মামলা এমন অভিযোগও উঠেছে তাদের। ইতিপুর্বে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে মামলাবাজ প্রতারক সেলিম ও নাসরিন চজের বিকদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতারকও হয়েছে। এর পর যাত্রাবাড়ি এলাকা চাদাবাজ সেলিমকে বিভিন্ন অপরাধের মামা মেয়ের করে ব‍্যাব ১০। এই চক্রটি রাজধানীর যাবাসিক হোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিলে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করেন, চাঁদা না দিলে তাদে বিকছে মিথ্যা মামলা ঠুকে দেন, এবপন তাবা আসামিদের সাথে যোগাযোগ করে জানায় টাকা দিলে মাম তুলে নেবে অন্যথায় নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2025

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি