ময়মনসিংহে মসিকের অন্দরে দীর্ঘদিনের ‘অভিযোগের স্তূপ’: দীপক মজুমদারকে ঘিরে দুর্নীতি ও অনিয়ম
ব্যুরো চীফ, ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ নগরবাসীর কাছে সিটি কর্পোরেশন মানেই উন্নয়ন, সেবা আর নাগরিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা অভিযোগ, অনিয়ম আর দুর্নীতির গল্প যেন এখন এক অস্বস্তিকর বাস্তবতায় রূপ নিচ্ছে। আর এই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার (কমল)।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তিনি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে একই বিভাগে কর্মরত আছেন । আর এই দীর্ঘ সময়ের চাকরির অভিজ্ঞতাকেই অনেকে এখন প্রশ্নবিদ্ধ দৃষ্টিতে দেখছেন।
বিভিন্ন সময়ের প্রকাশিত অনলাইন সংবাদ ও স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, অভিযোগের সূত্রপাত আজকের নয়। অতীতেও তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় বিদেশি অনুদানের সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও পাচারের অভিযোগ সামনে আসে, যেখানে কোটি টাকার লেনদেনের বিষয়ও আলোচনায় আসে । যদিও এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক বিচারিক নিষ্পত্তি বা সরকারি প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে ওঠা অভিযোগে বলা হচ্ছে, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন ও স্যানিটেশন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা এখন প্রশাসনিক মহলেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই অভিযোগগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগও কম। কারণ, এর আগেও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সরাসরি অভিযান চালায়। সেখানে রাস্তা ও ড্রেনেজ নির্মাণে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতাও পাওয়া গিয়েছিল । ফলে সামগ্রিকভাবে পুরো ব্যবস্থাপনাই এখন প্রশ্নের মুখে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিন একই পদে থাকা, পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব এবং জবাবদিহিতার দুর্বল সংস্কৃতিই এসব অভিযোগের পেছনে বড় কারণ হতে পারে। একাধিক সূত্র দাবি করছে, একটি ‘নিয়মিত চক্র’ তৈরি হয়ে গেছে, যেখানে প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ, বাস্তবায়ন এবং হিসাব, সবকিছুতেই অস্বচ্ছতা রয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দীপক মজুমদারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার এই নীরবতাও জনমনে নতুন করে সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে তদন্ত শুরু করা হবে। তবে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এটিকে শুধু অভিযোগ যাচাই পর্যায়ে না রেখে দ্রুত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তাদের বক্তব্য স্পষ্ট
যদি অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে শুধু একজন নয়, পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
একসময় উন্নয়নের বড় বাজেট পাওয়া এই সিটি কর্পোরেশন (যেখানে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছিল) —সেই প্রতিষ্ঠানেই বারবার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা এখন নাগরিকদের জন্য বড় হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গল্পটা এখানেই শেষ নয়। বরং এটি একটি চলমান অধ্যায়
যেখানে প্রশ্ন একটাই:
অভিযোগ কি সত্যিই প্রমাণিত হবে, নাকি সবকিছু আবারও চাপা পড়ে যাবে?
সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব, মো নাজমুল আলম খন্দকার রিনকু
নির্বাহী সম্পাদক জনাব, মোঃ জিয়াউল হক
মোবাইল 01788104994
বাণিজ্যিক বিভাগ জনাব, মোঃ আলী রেজা
মোবাইল 01718879885
সহ সম্পাদক জনাব, মোঃ শাহ মোসলে উদ্দিন বিজন
মোবাইল 01762955340
প্রধান কার্যালয় আলাতুননেছা স্কুল রোড মধ্য বাড্ডা ঢাকা - ১২০০
আঞ্চলিক কার্যালয় উত্তর কোন বগুড়া
যেকোনো অপরাধ অনিয়ম গুম দুর্নীতি ও ভূমি দস্যু কেন্দ্রীক সু নির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কে জানান আমরা তা তুলে ধরবো ক্রাইম তালাশ টিম এ জনতার সার্থে।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ০১৯৪০৭৫৮৪৪৭
nazmula932@gmail.com